[ourislambdSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

Ads

ব্যাংকের মাসিক মুনাফায় সংসার চালানো কি বৈধ? ইসলামি দৃষ্টিতে জানুন গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়া

প্রকাশঃ
অ+ অ-
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

 

অনেকেই সংসারের খরচ চালাতে ব্যাংকে জমা রাখা টাকার মাসিক মুনাফার ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এই অর্থ গ্রহণ করা বৈধ কি না—এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রচলিত ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাব, ডিপিএস (DPS) বা এফডিআর (FDR) থেকে নির্ধারিত হারে যে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়, তা সুদের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামে সুদ নিষিদ্ধ হওয়ায় এ ধরনের অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করা বৈধ নয় বলে মত দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বর্তমানে ইসলামি ব্যাংক হিসেবে পরিচালিত কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আলেমদের মতে, কোনো ব্যাংকের সব ধরনের বিনিয়োগ ও লেনদেন পুরোপুরি শরিয়াহভিত্তিক কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেসব প্রতিষ্ঠানের ডিপিএস, এফডিআর বা মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয় প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত অর্থ গ্রহণ থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ।

কারেন্ট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে কী বিধান?

ফতোয়ায় বলা হয়েছে, দৈনন্দিন লেনদেন বা অর্থের নিরাপত্তার প্রয়োজনে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ এ ধরনের হিসাবে সাধারণত কোনো সুদ বা মুনাফা দেওয়া হয় না। তবে যদি কোনো কারেন্ট অ্যাকাউন্টে নির্ধারিত লাভ দেওয়া হয়, তাহলে সেটিও গ্রহণযোগ্য নয়।

ভুল করে সুদ গ্রহণ করলে কী করবেন?

যারা অজ্ঞতাবশত সুদভিত্তিক হিসাব থেকে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেছেন, তাদের জন্য পরামর্শ হলো—

  • নিজের মূল জমাকৃত অর্থ ব্যবহার করা যাবে।
  • অতিরিক্ত প্রাপ্ত সুদের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • সেই অর্থ অসহায় মানুষের কল্যাণে বা জনস্বার্থমূলক কাজে ব্যয় করা যেতে পারে, তবে এর মাধ্যমে সওয়াবের নিয়ত করা হবে না।

বিশেষ পরামর্শ

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলেন, হালাল-হারাম সম্পর্কে সচেতন মুসলমানদের উচিত এমন আর্থিক লেনদেন বেছে নেওয়া, যা সন্দেহমুক্ত এবং শরিয়াহসম্মত। এতে ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ই উপকৃত হবে।

সূত্র: মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়া, ঢাকার ফতোয়া বিভাগের প্রকাশিত শরিয়াহভিত্তিক দিকনির্দেশনা।

শিরোনাম...

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন